কবিরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে রাজপথের লড়াকু সৈনিক আরাফাতের রহমান হাসান।
বিশেষ প্রতিনিধি, কবিরহাট
তারিখ: ২৫ মার্চ, ২০২৬
আগামী কবিরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় রাজনীতিতে চাঞ্চল্য ও ব্যাপক গণসংযোগ শুরু হয়েছে। এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও প্রশাসক পদে দলীয় ও সাধারণ মহলে অন্যতম হেভিওয়েট ও আলোচিত প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছেন কবিরহাটের কৃতি সন্তান এবং জনগনের আস্হাভাজন আরাফাতের রহমান হাসান।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের বর্ণাঢ্য অভিজ্ঞতা এবং মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্কের কারণে কবিরহাট উপজেলার সাধারণ ভোটার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে তাকে নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।
পারিবারিক ও ব্যক্তিগত পরিচিতি:
কবিরহাট পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের এনায়েত নগর এলাকার ঐতিহ্যবাহী আতর আলী ডাক্তার বাড়ির সন্তান আরাফাতের রহমান হাসান। তাঁর পিতার নাম মো: নূরুল হক এবং মাতা শাহিন আক্তার দুজনেই সরকারি চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে একজন শিক্ষিত সৎ নিষ্ঠাবান সফল ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্ব।
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার:
আরাফাতের রহমান হাসান এর অনবদ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার আছে। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত প্রতিটি সংকটে তিনি অগ্রভাগে ছিলেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিক্রমা নিচে তুলে ধরা হলো:
• ছাত্ররাজনীতি (১৯৯৩ – ২০০৩): ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত তিনি কবিরহাট সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ থেকে ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত কবিরহাট পৌরসভা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে নেতৃত্ব দেন।
• যুবরাজনীতি (২০০৩ – ২০১৯): ২০০৩ থেকে ২০১১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত কবিরহাট উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং ২০১১ থেকে ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দুই মেয়াদে কবিরহাট উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
• মূলদল ও বর্তমান অবস্থান (২০১৯ – বর্তমান): ২০১৯ থেকে ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত তিনি কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২০২১ থেকে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন।
ত্যাগ ও মামলার খতিয়ান:
দলীয় কর্মকাণ্ড ও ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তিনি ও তাঁর পরিবার নানাভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও একাধিক মামলা হামলার স্বীকার হয়েছেন। সমস্ত বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করেও তিনি মাঠ ছেড়ে যাননি, যা তাকে কর্মীদের মাঝে এক ‘ত্যাগী ও বিশ্বস্ত’ নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
নির্বাচনী প্রেক্ষাপট ও লক্ষ্য:
বিগত ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দের কবিরহাট উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে তিনি অংশ নিয়েছিলেন। তৎকালীন সময়ে জোট ও দলের দুঃসময়ে কবিরহাট উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেওয়া একমাত্র সাহসী প্রার্থী ছিলেন তিনি। ইতিপূর্বে ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে দল মনোনীত প্রার্থী ফখরুল ইসলাম দুলাল (মরহুম) এবং ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দের দলীয় প্রার্থী হাজী মো: ইলিয়াছের রাজনৈতিক দলবদলের পর থেকে কবিরহাটের স্থানীয় তৃণমূলকে ধরে রাখতে আরাফাতের রহমান হাসান অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে হাল ধরে রেখেছেন।
আসন্ন কবিরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। স্থানীয় সাধারণ জনগণের দাবি— কবিরহাটের সুষম উন্নয়ন, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং তৃণমূলের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আরাফাতের রহমান হাসানের মতো একজন পরীক্ষিত ও যোগ্য প্রার্থীর কোনো বিকল্প নেই।
এলাকার সাধারণ ভোটারদের মতে, রাজনৈতিক মামলা-হামলার স্বীকার হওয়া এই ত্যাগী নেতা যদি জনপ্রতিনিধি হিসেবে সুযোগ পান, তবে কবিরহাট উপজেলা একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও জনবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে উঠবে।
https://slotbet.online/