• রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে মা-নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসক দম্পতির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি নোয়াখালীতে রাজীব হত্যা মামলায় দুই ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড, বাবার যাবজ্জীবন কবিরহাটে শাক ধুতে গিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু কবিরহাটে নিখোঁজের একদিন পর ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, দুই চাচাতো ভাই পলাতক কবিরহাটে পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষে অটোরিকশাচালকের মৃত্যু কবিরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু, সিএনজি চালক আটক জিপে লুকিয়ে ৮০ হাজার ইয়াবা পাচার মাদকসেবনের প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা বিষধর সাপের কামড়ে শাহানাজ আক্তার নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী অভিযানে তিনজনের কারাদন্ড

নোয়াখালীতে মা-নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসক দম্পতির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি

রিপোর্টারের নাম / ০ বার
আপডেট সময় :: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬

নোয়াখালীতে মা-নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসক দম্পতির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি
নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে চিকিৎসকের অবহেলা ও অপচিকিৎসার অভিযোগে মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসক দম্পতির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে নোয়াখালী প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিহত উম্মে সালমা ওরফে নিশির বাবা ও গণমাধ্যমকর্মী এম এ আউয়াল লিখিত বক্তব্যে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে এম এ আউয়াল অভিযোগ করেন, চিকিৎসকদের অবহেলা ও অপচিকিৎসার কারণেই তার সুস্থ অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে উম্মে সালমা ওরফে নিশি এবং তার গর্ভের নবজাতক সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় করা তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে তিন বছরের জন্য চিকিৎসক মোহাম্মদ আক্তার হোসেন ওরফে অভি এবং তার স্ত্রী ফৌজিয়া ফরিদের সনদ ও নিবন্ধন সাময়িকভাবে স্থগিত করে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বিএমডিসির পক্ষ থেকে জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে সনদ ও নিবন্ধন স্থগিত থাকার পরও অভিযুক্ত চিকিৎসকরা নোয়াখালীর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসাসেবা এবং প্রাইভেট প্র্যাকটিস চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ সময় তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ফৌজিয়া ফরিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান থাকা অবস্থায় চিকিৎসক মোহাম্মদ আক্তার হোসেনকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্ত চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের কারণে ভুক্তভোগী পরিবার এবং মামলার সাক্ষীরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ সময় ভুক্তভোগী পরিবার অভিযুক্ত দুই চিকিৎসককে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত, তাদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ, সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়।

তবে অভিযুক্ত চিকিৎসকদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


☞ এ জাতীয় আরো খবর

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক : মিজানুর রহমান কিরণ।
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক : তৌহিদুল আনোয়ার আজিম।
নির্বাহী সম্পাদক : জাফর ইকবাল
বার্তা সম্পাদক : মোহাম্মদ হারুন আল রশিদ।

https://slotbet.online/