নোয়াখালীর কবিরহাটে বিয়ের প্রলোভনে তরুণী গৃহবধূকে (১৯) ধর্ষণের অভিযোগে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.শাহীন মিয়া।
এর আগে সোমবার (১ ডিসেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের গাজীরবাগ গ্রাম থেকে ওই কিশরোরকে আটক করে ভুক্তভোগী গৃববধূর স্বজন ও প্রতিবেশীরা।
গ্রেপ্তারকৃত আরাফাত ইসলাম ওরফে সাকিব (১৭) বাটইয়া ইউনিয়নের গাজীরবাগ গ্রামের বেচু মিয়ার নতুন বাড়ির আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
সাকিবের মা জাহানারা বেগম বলেন, ‘মেয়ে অবিবাহিত হলে আমার ছেলেকে বিয়ে করাতাম। তাছাড়া ওরা গরীব। দুই মাস বিয়ে হয়েছে। ওই মেয়ে শশুর বাড়ি যায় না।’
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২ বছর আগে ভিকটিমের সঙ্গে একই উপজেলার সুন্দলপুর গ্রামের এক যুবকের বিয়ে হয়। তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো সম্পর্ক না থাকায় প্রতিবেশী কিশোর সাকিব ওই তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে কু-প্রস্তাব দিত এবং রাস্তাঘাটে উত্ত্যক্ত করত। মোবাইল ফোনে ভিডিও কলে খারাপ অঙ্গভঙ্গি করত। গত সোমবার দিবাগত রাতে তরুণীর বসতঘরের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি শুরু করে সাকিব। পরে দরজা খুললে মুহূর্তের মধ্যে সে ঘরে প্রবেশ করে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। ধস্তাধস্তির শব্দ শুনে পাশের রুমে থাকা তরুণীর ভগ্নিপতি রুমের দরজা খুলে সাকিবকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। এর আগেও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমকে তাদের বসতঘরে ধর্ষণ করে সাকিব।
এ বিষয়ে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.শাহীন মিয়া বলেন, ‘এ ঘটনায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তরুণীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
https://slotbet.online/