সাইফুল ইসলাম কবিরহাট(নোয়াখালী)উপজেলা সংবাদদাতা
১৪ জানুয়ারি(বুধবার)সকাল ১১টায় কবিরহাট সরকারি কলেজের শিক্ষক কর্মকর্তা হল রুমে ফুলের শুভেচ্ছা জানায় কলেজের সকল শিক্ষক ও কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ।জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ নোয়াখালী জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে কবিরহাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হাফেজ মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ওসমানী। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে এ স্বীকৃতি পায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ।
এবারই প্রথম প্রতিষ্ঠানটির প্রধান জেলার শ্রেষ্ঠত্বের গৌরব অর্জন করে। এছাড়া বিগত সময়ের বেশিরভাগ সময়ের মতো কবিরহাট উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে।
কবিরহাট উপজেলায় ৩ টি কলেজ রয়েছে যার মধ্যে কবিরহাট সরকারি কলেজ ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত করেন ইঞ্জিনিয়ার দেলোয়ার হোসেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এটি এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে।
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রফেসর হাফেজ মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ওসমানী বলেন,এ বছর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় কবিরহাট সরকারি কলেজ ৪ টি ইভেন্টে নাত,নির্ধারিত বাংলা বক্তৃতা, উচ্চাঙ্গসংগীত, জারিগানে প্রথম স্থান অধিকার করে বিভাগীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করার কৃতিত্ব অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
তিনি আরো বলেন প্রতিযোগিতায় ছাত্রছাত্রীদের ‘গ’ গ্রুপের (একাদশ-দ্বাদশ) ইভেন্টসমূহের মধ্যে ১৫ টি, ‘ঘ’ গ্রুপের (ডিগ্রি পাস ও অনার্স-মাস্টার্স) ইভেন্টসমূহের মধ্যে ১০টি এবং গ্রুপ প্রতিযোগিতায় ১০ টিসহ মোট ৩৫ টি প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান / শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করে । এটি সম্ভবত জেলার মধ্যে উপজেলা ভিত্তিক একক কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সর্বোচ্চ।
উল্লেখ্য,জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্বের এই অর্জনের পর এখন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উদযাপন কমিটির আহবায়ক ও অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মহিম চন্দ্র দাস বলেন,প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। রয়েছে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, বিজ্ঞানাগার, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমসহ প্রয়োজনীয় সব সুবিধা। পাশাপাশি নিয়মিত অভিভাবক সমাবেশ, বিতর্ক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এখান থেকে প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হচ্ছে এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলেছে। প্রতিষ্ঠানটির অভিভাবক নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কলেজের মান ও পরিবেশ উন্নয়নের জন্য।
কলেজটির ক্যাডার কর্মকর্তা পরিষদের সম্পাদক জনাব কামরুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় সাধারণত প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছাত্র ছাত্রীরা থাকে। তাদেরকে তৈরি করে অনেক বেগ পেতে হয়। এছাড়া এই কলেজে রোভার স্কাউট, বিএনসিসি ও রেডক্রিসেন্ট নামক স্বেচ্ছাসেবক টিম রয়েছে। এগুলো কলেজের সহশিক্ষা কার্যক্রমগুলোকে এগিয়েছে অনেকদূর। এক্ষেত্রে আমাদের অধ্যক্ষ স্যারের চেষ্টা অতুলনীয়।
লেখাপড়ার পাশাপাশি এভাবে ছড়িয়ে পডুক কলেজের নবপ্রতিভাগুলো,উজ্জ্বল হোক সকল ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যত, উন্নত হোক দেশ দেশ এই প্রত্যাশা শিক্ষার্থী, অভিবাবক ও এলাকাবাসীর।
https://slotbet.online/