অনিয়ম-দুর্নীতি ও ছাত্রী ইভটিজিং এর মামলায় গ্রেফতার ফারুক।
বিশেষ প্রতিনিধি – কবিরহাট নিউজ
গত ১২ আগষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাময়িক বরখাস্তকৃত সহঃ প্রধান শিক্ষক জনাব ফারুক হোসেন গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে আছেন। অশ্বদিয়া গার্লস হাই স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক জনাব মো: ফারুক হোসেন কে তার বিভিন্ন অনিয়ম,দুর্নীতি ও রেজুলেশন জালিয়তি করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেজে বিবিধ জাল-জালিয়াতির কারণে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি তাকে চাকুরী থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
তিনি ৫ আগস্টের পরেও ৩ মাস প্রতিষ্ঠানে ছিলেন। পরবর্তীতে অবৈধভাবে জনাব ফারুক হোসেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে চার্জ বুঝিয়ে দেয়ার আবেদনের প্রেক্ষিতে নোয়াখালী DC অফিস, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, কুমিল্লা বোর্ড কর্তৃক তদন্ত শেষে প্রাপ্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিটি তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে।
এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সম্পূর্ণ বিদ্বেষ প্রসূতভাবে প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন সম্মানিত শিক্ষক কে দায়ী করে ফেসবুক পেইজে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক পোষ্ট করছেন।
এছাড়া তিনি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণের বিরুদ্ধে ঢাকা জজ কোর্টে ০২ টি, প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নোয়াখালী জজ কোর্টে ১ টি মহামান্য হাই কোর্টে ১টি রিট সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ০৭ টি মামলা দায়ের করে তার বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। প্রত্যেকটি মামলার তদন্ত রিপোর্টে তিনি দোষী সব্যাস্ত হওয়ায় প্রশাসনিক আইনে তিনি গ্রেফতার হন। মিথ্যা মামলার মাধ্যমে তিনি সফল হতে না পেরে মিথ্যা ও বিভ্রান্তি মূলক অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন এবং আরো চালিয়ে যাবেন মর্মে উল্লেখ করেছেন। বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানের ছাত্রী ও শিক্ষক-কর্মচারীদের উপর হামলা মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী।
জনাব ফারুক ফ্যাসিবাদী আমলে ফ্যাসিস্ট সরকারের মিথ্যা মামলায় সম্পৃক্ত করে চাকুরী থেকে অপসারনের ভয় দেখিয়ে দীর্ঘ সময় কারানির্যাতিত (প্রভাষক) জনাব আবদুর রহিম সহ কয়েকজন শিক্ষক থেকে তৎকালীন সময়ে সুকৌশলে কিছু বক্তব্য মোবাইলে ধারণ করে বর্তমানে প্রকাশ করছেন। তিনি ২ জন শিক্ষককে আটকিয়ে রেখে শিক্ষক প্রতিনিধি পদে নিজেকে বিজয়ী ঘোষনা করিয়েছেন। সাময়িক বরখাস্তের ৭/৮ মাস আগে থেকেই ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান এবং অধ্যক্ষসহ শিক্ষকমন্ডলীর বিরুদ্ধে নানামূখী অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন যা সম্পূর্ণ প্রতারণা ও বিভ্রান্তিমুলক বলে জানান স্কুলের শিক্ষকরা।এছাড়া তিনি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণের বিরুদ্ধে ঢাকা জর্জ কোর্টে মিথ্যা মামলা দায়ের করে তার বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেও ব্যর্থ হন।
প্রতিষ্ঠানের সুনাম, স্বার্থ ও সরকারি দাপ্তরিক গোপনীয়তা বিবেচনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এ নিয়ে কোন প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়নি। তার এহেন মিথ্যা, প্রতারণা ও বিভ্রান্তি মূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে জানান প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শিক্ষক।
তাই তার এহেন প্রচারণায় সর্বসাধারণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানিয়েছেন বর্তমান স্কুল কমিটি।
https://slotbet.online/