কবিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহীন মিয়ার বিরুদ্ধে ফেইক আইডি অনলাইন ও সোশাল মিডিয়ায় লিখা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি এই থানায় আসার পর নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করিতেছি, কতিপয় কিছু লোক নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করতে না পারায় আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। এ বিসয়ে সাংবাদিক ভাইদের কাছে সত্যতা উদঘাটনের জন্য অনুরোধ করে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাক ডা-কা-তি মামলার আসামী সুজনের সাথে গ্রুপে থাকা ওসি কবিরহাট থানার ছবি দিয়ে ভিউ পাওয়ার আশায় গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হলে তা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়।
প্রকৃতপক্ষে আমি শাহিন মিয়া কবিরহাট থানায় যোগদানের পর অসংখ্য মানুষ ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানিয়েছিল, সুজনও একটি ছবি তুলে রাখে। তখন সুজন ডাকাত ছিল না। তবে ডা-কা-তি মামলার ঘটনায় কবিরহাট থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন মিয়া নিজেই সুজনকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করে রিমান্ডের আবেদন করেন।
এ ছাড়াও ফেইক আইডি অনলাইনে আরেকটি নিউজ ভাইরাল হয়। ইহাতে দেখা যায় কবিরহাট থানার ওসি মোঃ শাহিন মিয়ার ছবি প্রদর্শন করেন।কবিরহাট থানায় মামলার বাদী মারুফ বিল্লা রায়হান জানান ২০/২৫ জনকে আসামি করতে চেয়েছিলাম। বামপন্থী লোকরা অতিরিক্ত আসামি করেছে। পুলিশরা অজ্ঞাতনামা আসামি গ্রেপ্তার করছে এতে তার সম্মতি নেই। এ বিষয়ে বাদী কিছু জানে না ইত্যাদি।
প্রকৃতপক্ষে অনুসন্ধানে জানা যায় বাদী ও আসামি একি উপজেলার বাসিন্দা হওয়ায় পুলিশ আসামি ধরলেই আসামীর আত্মীয়-স্বজন, বাদীর প্রতিবেশী কোন না কোন মাধ্যম বাদী ও বাদীর পরিবারের উপর বিভিন্ন প্রকার চাপ প্রয়োগ হয়। ভবিষ্যতে কখনো যদি আওয়ামী লীগ সমর্থিত লোকজন মাঠে দাঁড়াতে পারে তখন বাদী ও বাদীর পরিবার ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।
এই চিন্তা মাথায় রেখে অন্যের উপর দোষ দিয়ে ভিডিও করেছেন মর্মে কিছুটা পরিলক্ষিত হয়। কবিরহাট থানার ওসি শাহীন মিয়ার ছবি ও অনৈতিক কথা থাকলে ভিডিওটি দ্রুত সময়ের মধ্যে ভাইরাল হবে এবং বেশী ভিউ পাওয়ার আশায়। আমি গণমাধ্যম কে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
https://slotbet.online/