• বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম ::
চাঁদাবাজী,সালিশ বাণিজ্য, বালু বাণিজ্য, মাদক ব্যবসা চলবে না -এম পি  ফখরুল ইসলাম, ৫নোয়াখালী  মা বোনেরা নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবেন নিরাপত্তা আমরা দিবো: ফখরুল ইসলাম আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নোয়াখালী ৫ আসন সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয এমপি মন্ত্রীরা দুর্নীতি বন্ধ করলে দেশে দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যাবে – ওমর আলী রাজ মাইজদীতে লাজফার্মাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড কবিরহাটে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের প্রার্থীর গণসংযোগ নোয়াখালী জেলা কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে নির্বাচিত প্রফেসর মাহবুবুর রহমান ওসমানী নোয়াখালী-৫ আসনের মানুষ বৈষম্যের শিকার হবে না নোয়াখালী-৫ আসনে মনোনয়নপত্র নিলেন কেফায়েত উল্যাহ চৌধুরী কিসমত কবিরহাটে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবস পালিত

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ শাহিন মিয়ার বিরুদ্ধে পেক আইডি দিয়ে মিথ্যে অপপ্রচার।

রিপোর্টারের নাম / ৭৭ বার
আপডেট সময় :: সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫

কবিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহীন মিয়ার বিরুদ্ধে ফেইক আইডি অনলাইন ও সোশাল মিডিয়ায় লিখা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি এই থানায় আসার পর নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করিতেছি, কতিপয় কিছু লোক নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করতে না পারায় আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। এ বিসয়ে সাংবাদিক ভাইদের কাছে সত্যতা উদঘাটনের জন্য অনুরোধ করে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাক ডা-কা-তি মামলার আসামী সুজনের সাথে গ্রুপে থাকা ওসি কবিরহাট থানার ছবি দিয়ে ভিউ পাওয়ার আশায় গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হলে তা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়।

প্রকৃতপক্ষে আমি শাহিন মিয়া কবিরহাট থানায় যোগদানের পর অসংখ্য মানুষ ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানিয়েছিল, সুজনও একটি ছবি তুলে রাখে। তখন সুজন ডাকাত ছিল না। তবে ডা-কা-তি মামলার ঘটনায় কবিরহাট থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন মিয়া নিজেই সুজনকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করে রিমান্ডের আবেদন করেন।

এ ছাড়াও ফেইক আইডি অনলাইনে আরেকটি নিউজ ভাইরাল হয়। ইহাতে দেখা যায় কবিরহাট থানার ওসি মোঃ শাহিন মিয়ার ছবি প্রদর্শন করেন।কবিরহাট থানায় মামলার বাদী মারুফ বিল্লা রায়হান জানান ২০/২৫ জনকে আসামি করতে চেয়েছিলাম। বামপন্থী লোকরা অতিরিক্ত আসামি করেছে। পুলিশরা অজ্ঞাতনামা আসামি গ্রেপ্তার করছে এতে তার সম্মতি নেই। এ বিষয়ে বাদী কিছু জানে না ইত্যাদি।

প্রকৃতপক্ষে অনুসন্ধানে জানা যায় বাদী ও আসামি একি উপজেলার বাসিন্দা হওয়ায় পুলিশ আসামি ধরলেই আসামীর আত্মীয়-স্বজন, বাদীর প্রতিবেশী কোন না কোন মাধ্যম বাদী ও বাদীর পরিবারের উপর বিভিন্ন প্রকার চাপ প্রয়োগ হয়। ভবিষ্যতে কখনো যদি আওয়ামী লীগ সমর্থিত লোকজন মাঠে দাঁড়াতে পারে তখন বাদী ও বাদীর পরিবার ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।

এই চিন্তা মাথায় রেখে অন্যের উপর দোষ দিয়ে ভিডিও করেছেন মর্মে কিছুটা পরিলক্ষিত হয়। কবিরহাট থানার ওসি শাহীন মিয়ার ছবি ও অনৈতিক কথা থাকলে ভিডিওটি দ্রুত সময়ের মধ্যে ভাইরাল হবে এবং বেশী ভিউ পাওয়ার আশায়। আমি গণমাধ্যম কে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।


☞ এ জাতীয় আরো খবর

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক : মিজানুর রহমান কিরণ।
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক : তৌহিদুল আনোয়ার আজিম।
নির্বাহী সম্পাদক : জাফর ইকবাল
বার্তা সম্পাদক : মোহাম্মদ হারুন আল রশিদ।

https://slotbet.online/