নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ইভটিজিং কে কেন্দ্র করে মারামারিতে ৬ জন আহত।
একেএম ইকবাল
প্রতিনিধি
নোয়াখালী,সুবর্ণচর উপজেলা, ধানেরশীষ ইউনিয়ন, ৭নং ওয়ার্ডে ইভটিজিং কে কেন্দ্র করে মারামারিতে ৬ জন আহত হয়েছে।
বুধবার (২ এপ্রিল) বিকালে ৩ ঘটিকায় সময় ৭নং ওয়ার্ড ধানেরশীষ গ্রামে এই মারামারি ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই রেজিয়া বেগম (৫৪) গুরুতর আহত অবস্থায় কবিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যাওয়া হয়।
আহত রেজিয়া বেগম (৫৪) উপজেলার, ধানেরশীষ ইউনিয়নের, ৭নং ওয়ার্ড, এবং কামাল উদ্দিন একই গ্রামের ।
মামলার অভিযুক্তরা হলো, ১। কামাল উদ্দিন (৬০), পিতা : অজ্ঞাত, ২। রিয়াজ উদ্দিন(৩০), পিতা: কামাল উদ্দিন, ৩। মনির(২৫) ৪। শাহাদাত হোসেন (২২), ৩ নং ও ৪ নং আসামী উভয় পিতা কামাল উদ্দিন ৫। আলাউদ্দিন (৩৮) পিতা নূর নবী
অভিযোগ কারী, রেজিয়া খাতুন (৫৫) স্বামী- সামছুল হক, সাং-ধানেষশীষ (সামছুল হকের বাড়ী), ০৭নং ওয়ার্ড, ধানেরশীষ ইউপি, থানা-চরজব্বর , সুবর্ণচর, জেলা -নোয়াখালী অভিষোগে উল্লেখ করেন উপরোক্ত অভিযুক্তগন উগ্রপন্থী ও চরিত্রহীন লোক । অভিযুক্তগন পূর্ব পরিকল্পনা করে অজ্ঞাত নামা অভিযুক্তদের সাথে নিয়ে আমার বাড়ির দরজায় আমার ব্যবহারিত পুকুর পাড়ে সকাল থেকে ঘুরা ফেরা করে এবং উকি ঝুঁকি দিয়ে ও অশ্লীন অঙ্গী, ভঙ্গি প্রদর্শন করে। ইহাতে বাড়িতে আমার বউ জি গা গোসল করিতে অসুবিধা হইতেছে বিদায় আমি বিবাদীদেরকে ডেকে বুঝানো চেষ্টা করি এবং পুকুর পাড় থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করি। কিন্তু অভিযুক্তগন আমার কথার কর্নপাত করেনি। তখন আমি বিষয়টি আমার ছেলে মোহাম্মদ ফজলু (২৬) জানালে তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করলে তারা ক্ষিপ্ত হইয়া আমার ছেলেকে কিল, ঘুশি লাথি মেরে নিলা, ফুলা জখম করে দেয়। আমার ছেলের চিৎকার শুনে আমি সহ জখমী আমার ছেলে ও মেয়ে আগাইয়া গেলে অভিযুক্তগন তাদের উপর অর্তকিত ভাবে ঝাপিয়ে পড়ে তাদেরকেও কিল, ঘুশি মেরে সকলের সমস্ত শরীর নিলা, ফুলা জখম করি দেয়। এক পর্যায়ে রিয়াজ উদ্দিন(৩০) ও কামাল উদ্দিন, আমার মেয়ে সুলতানা আক্তার (২৭)গায়ে হাত দিয়ে তাহার জামা কাপড় ছিড়ে ফেলে। উক্ত মারামারির সময় আমার মেয়ের গলা থেকে আট আনা ওজনের স্বার্ণের চেইন রিয়াজ উদ্দিন টান দিয়ে নিয়ে যায়, বাম কান থেকে স্বার্ণের কানের ফুল কামাল উদ্দিন নিয়ে যায়। আমাদের চিৎকারে উপস্থিত লোকজন আসিলে অভিযুক্তগন আমাকে ও আমার ছেলে মেয়েদেরকে প্রাণে হত্যা করিবে এবং আমার মেয়েদের কে ধর্ষন করার জোর হুমকি দিয়ে ঘটনা স্থল ত্যাগ করে। বিবাদীদের ভয়ে আমাদের জীবনের নিরাপত্ত হীনতায় ভূগছি। লোকজনের সহযোগীতায় আমার ছেলে মেয়েদেরকে কবিরহাট উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা করান বলে জানান।
https://slotbet.online/